ইয়া মোহাম্মদ, ইয়া ইমামে কেবলা তাইনে, ইয়া শাহেন শাহে মেরাজ, ইয়া আসরারে জুলজালাল, ইয়া ফকরে আরাব, ইয়া সরকারে দো আলম, ইয়া আবুল কাশেম, তুমিই পরিপূর্ণতার একমাত্র ভান্ড। পরিপূর্ণতা তোমার ভান্ড হতে আগমন করে। পরিপূর্ণতার আরেক নাম কামালিয়াত। তুমি আউয়ালুনা মোহাম্মদ, তুমি প্রথম মোহাম্মদ, মাঝখানের মোহাম্মদও তুমি, গতির শেষ প্রান্তের নামটিও মোহাম্মদ। সর্বকালে, সর্বভূতে পরিপূর্ণতা এনে দেয় তোমার ভান্ড হতে। কামালিয়াতের পরিপূর্ণতা আসে তোমারই ভান্ড হতে। তোমারই পা হতে মাথা পর্যন্ত সবই জাত নুরে নুরময়। মাটির বিন্দুমাত্র কল্পনাও করা যায় না। তাই তুমি সেই মোহাম্মদ, যাঁর কোনো ছায়া নাই। তুমি সেই মোহাম্মদ।
পাগলা উটও তোমাকে সেজদা করে। তুমি সেই মোহাম্মদ, যিনি আল্লাহর রাজ্যে গমন করেন। কোনো সৃষ্টিই লা-মোকামে প্রবেশ করতে পারে না। তুমি লা মোকামে অবস্থান করে অসাধারণ চমক তৈরি করে গেছ। ইয়া মোহাম্মদ, মৃত্যু নামক খেলাটি তুমি ঢং করে দেখিয়েছ। মৃত্যু তোমাকে স্পর্শ করতে পারে না, ইয়া মোহাম্মদ।
অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ তোমারই মাঝে একাকার হয়ে মিশে আছে, ইয়া মোহাম্মদ। নুরময় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়েই তোমার আবির্ভাব। তিরোভাবটি তোমার একটি নৈমিত্তিক ঢং। তুমি, ইয়া মোহাম্মদ, কেবল তুমিই ওয়ামা ইয়ানতেকু আনিল হাওয়া-র জলজ্যান্ত প্রতিচ্ছবি। তুমিই, ইয়া মোহাম্মদ, কেবলমাত্র তুমিই, দোনোহিকা সেকেল এক হ্যাঁয় কিসকো খোদা কাঁহু। ইয়া মোহাম্মদ, তুমিই ফাকানা কাবা কাওসাইনে আও আদ না ইয়া মোহাম্মদ, আল্লাহ্, পাক ও ফেরেশতারা তোমার নামের উপরে সালাত আদায় করে, তাই তো তুমি সাল্লু আলাইহে ওয়ালিহি।
আশিক ‘সিদরাতুল মুনতাহায়’ অবস্থান করে তোমারই দর্শন পায়, ইয়া মোহাম্মদ। সৃষ্টির শেষ প্রান্তে আশিক দÐায়মান হয়ে দেখতে পায়, নুরময় মোহাম্মদকে। অনেক কথা হয়, কিন্তু লা-মোকামে মাশুক মোহাম্মদের অবস্থানে হারিয়ে যায় সম্পূর্ণরূপে। তখন কেবলই আমি আর আমি। তখন কেবলই মোহাম্মদ আর মোহাম্মদ। সব রকম কথার অবসান এখানেই। এখানেই আর কথা থাকে না, থাকে কেবল একেরই দর্শন, ইয়া মোহাম্মদ।
-বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল সুরেশ্বরী
















